আমাদের কথা
একটা দেশের ভবিষ্যৎ চাহিদা, সমস্যা, সংকট ও সম্ভাবনা মাথায় রেখে গড়ে তোলা হয় সে দেশের শিক্ষাব্যবস্থা। একজন নাগরিককে তার ব্যক্তিগত, পারিবারিক, সামাজিক, রাষ্ট্রীয় ও পেশাগত জীবনের দায়িত্ব পালনে সক্ষম করে তোলাই এ ব্যবস্থার মূল লক্ষ্য। আর এ লক্ষ্য অর্জনের জন্য যে পরিকল্পিত কর্মকাঠামো তৈরি করা হয়, সেটা হলো কারিকুলাম বা পাঠ্যক্রম। পাঠ্যক্রমে থাকে সিলেবাস বা শিক্ষার্থীরা কী পড়বে তার তালিকা, শেখানোর নিয়ম–কানুন ও মূল্যায়ন পদ্ধতি।
একটি দেশের পাঠ্যক্রমে কী কী বিষয় থাকা উচিত, সেটা নির্ধারিত হয় সে দেশের সমস্যা, সংকট, চাহিদা ও সম্ভাবনাকে কেন্দ্র করে, যা বিভিন্ন দেশে বিভিন্ন রকম। এমনকি একটা বড় দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের মধ্যেও এগুলো আলাদা হতে পারে। সময়ের ব্যবধানে সেটাও পরিবর্তিত হয়।
আমাদের দেশের সমস্যা, সংকট, চাহিদা, সম্ভাবনা ও সামর্থ্য কী, তা নিয়ে কি কখনো বৃহৎ পরিসরে গবেষণা হয়েছে? আমাদের ‘জাতীয় পাঠ্যক্রম ও টেক্সটবুক বোর্ড’ এবং বিশ্ববিদ্যালয়গুলো কিসের ভিত্তিতে নিয়মিত সিলেবাস পরিমার্জন করে? এসব পাঠ্যক্রম দিয়ে কি আমরা উপযুক্ত নাগরিক তৈরি করতে পেরেছি?
সংক্ষিপ্ত ইতিহাস
নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁও থানাধীন সাদিপুর ইউনিয়নে অবস্হিত ভারগাওঁ গ্রামে ১৯৬০ ইং সনে ভারগাঁও নেছারিয়া দাখিলা মাদ্রাসাটি প্রাথমিক ভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়। যাহার প্রতিষ্ঠিতা ছিলেন সুনাম ধন্য ক্বারী শরীয়ত উল্লাহ সাহেব। তার মৃত্যুর পর তার সুযোগ্য মেয়ের জামাতা হাজী মাওলানা মো: রহমত উল্লাহ সাহেব ১৯৮৭ ইং সালে বাংলাদেশ মাদ্রাসা বোড কতৃক দাখিল পর্যায়ে স্বীকৃতি আনেন। ১৯৮৭ ইং সাল থেকে দাখিল কেন্দীয় পরীক্ষায় ভাল ফলাফল অর্জন করে। ০১/০১/১৯৯৪ ইং সালে এম, পি, ও ভূক্ত হয়।
লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য
) নিরলস জ্ঞান চর্চার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের জন্য মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করা ।
খ) শিক্ষার্থীদের চিন্তায়, চেতনায় এবং কর্মে সৃজনশীলতা, জনকল্যাণ ও মানব সেবাবোধ জাগ্রত করে তোলা ।
গ) শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রয়োজনীয় অনুশীলন ও প্রশিক্ষণের মাধ্যমে শৃঙ্খলাবোধ, শ্রমের মর্যাদা, নৈতিক, মানবিক, সামাজিক, আচরণিক ও ধর্মীয় মূল্যেবোধ জাগ্রত করা এবং তাদের মননে-কর্মে ব্যবহারিক জীবনে এসব মূল্যবোধ ও চারিত্রিক গুনাবলি উম্মেষ ঘটানো ।
ঘ) শিক্ষার্থীদের জাতীয় জীবনে সকল স্তরে নেতৃত্বদান ও কর্ম্ সম্পাদন যোগ্যতা সম্পন্ন সুনাগরিক হিসাবে গড়ে তোলা এবং সর্বোপরি নৈতিক, ধর্মীয় মূল্যবোধ ও উন্নত চরিত্রের জনসেবার মনোভাব সম্পন্ন একজন আদর্শ্ মানুষ তৈরি করা ।
ঙ) প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে পরবর্তী উচ্চ শিক্ষার স্তরের জন্য সত্যিকারভাবে উপযুক্ত করে গড়ে তোলা । এসব লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য সফলভাবে বাস্তবায়নের মাধ্যমে অত্র প্রতিষ্ঠানটিকে দেশ ও সমাজের কাছে একটি অনুকরণীয় মডেল হিসাবে উপস্থাপন করা